দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ডুগডুগি হাটে প্রায়ই হাতি দিয়ে চাঁদা তোলা হয় বলে যানা যায়।  সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে রিকশা চালক,  দোকানদার, বাস, ট্রাক সবজায়গায় চাঁদা তোলা হচ্ছে হাতি দিয়ে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন "তীর" এর সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমান লক্ষ্য করে, মহিলা ও শিশুরা ভয়েই টাকা দিচ্ছে, কয়েকজন মেয়ে ও শিশু ভয়েই কেঁদেছে।


হাতির মাহুতদের কাছে কৌশলে মোবাইল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য  নিয়েছে তিনি।মাহুতের নাম: শাহাদত, মোবাইল নম্বর 01777627626, বাড়ি ফুলবাড়ি দিনাজপুরে, হাতির মালিক ঝিনাইদহের।

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছে হাতিটিকে নিয়ে পথে ফুলবাড়ি থেকে পাঁচবিবি পর্যন্ত রাস্তার পাশের সব বাজারে চাঁদা তুলছে হাতি দিয়ে। এভাবে এরা প্রতিদিন ১৫-২০ হাজার টাকা তুলে থাকে, তবে হাতি দেখেই বুঝা যাচ্ছে কি করুন অবস্থা হাতিটির হয়তো  সঠিকভাবে খাবার দেওয়া হয় না।বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ এ বন্যপ্রাণী    ধরা, শিকার, বাড়িতে রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। গোটা বাংলাদেশে হাতি দিয়ে চাঁদা তোলা দিনদিন একটা প্রচলিত প্রথায় পরিণত হতে চলেছে। বন ও পরিবেশের স্বার্থে এই অবৈধ প্রথা বন্ধ করে এদের  দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছে পরিবেশবাদী সংগঠন "টিম ফর এনার্জি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (TEER)"।