হাতি স্থলভাগের সবচেয়ে বড় প্রাণী। পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এর গুরুত্ব অনেক। কিন্তু বনের উপর মানুষের অতি নির্ভরশীলতা, হাতির আবাসস্থল সংকোচন, বনে অবৈধভাবে বসবাস ও কৃষি কাজসহ নানা কর্মকান্ডের ফলে মানুষের সাথে হাতির সংঘাত দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাতি বাংলাদেশে মহাবিপন্ন প্রাণী ।
আজ ১৭ ই এপ্রিল আনুমানিক সকাল ১১ টায় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট এর বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা জানাব রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাস মুটোফোনে তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতিকে জনান থেকে গাইবান্ধা সদর উপজেলা বল্লমঝাড় ইউনিয়নে একটি হাতি তাণ্ডব শুরু করেছে বলে তারা খবর পেয়েছেন। বিষয়টির সত্যতা জানার জন্যে ঘটনা স্থলে তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল মাওয়া, কার্যকারী সদস্য হিমন বাশার ও সাব্বির রহমান পাঠানো হয় । এসময় তারা জনগণকে বন্যপ্রাণী সম্পর্কে সচেতন করেন এবং বন বিভাগের সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন করেন। এসময় হাতির মাউথ সাব্বির রহমান তীর এর কর্মী সহ স্থানীয় জগনককে জানান যে হাতির মালিকের নাম রফিক তিনি রংপুরে সার্কাস দেখান এই হাতি কে দিয়ে। হাতিটিকে রংপুর থেকে গাইবান্ধায় নিয়ে আসেন। অনেকটা পথ হাটার জন্য মাউথের খুদা লাগায় গাইবান্ধা তিন মাইল নামক জায়গায় পাকা রাস্তায় পাশে হাতি কে রেখে মাউথ খেতে যায়। সে সময় ওখানকার জনগনের উপদ্রবের জন্য হাতি বিভ্রান্ত হয়ে জমির মধ্যে নেমে পড়ে। মাউথ রা হাতি কে ডাক দিয়েও আর তাদের কন্ট্রোলে আনতে পাচ্ছিলো না। হাতি আবাদি জমিতে নামার পর থেকে ৮-১০ কিলোমিটার ঘুড়ে ঘুড়ে শেষ পর্যায় সাহার বাজারের কাছাকাছি খামার বল্লমঝাড় এসে এলাকাবাসী, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান, তীরের কর্মী ও বন বিভাগের সহযোগিতায় মাউথকে হাতির পিঠে তুলে দিতে সাহায্য করেন ।



0 Comments