গত ২০ জানুয়ারী ২০২০ তারিখে একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে "তীর" শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন জানতে পারে যে, গাইবান্ধা সদর থানায় একটি বিশাল আকৃতির ঈগল পাখি দেখা গেছে। পরবর্তীতে “তীর” শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন এর সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমান এটি নিশ্চিত করেন যে, এটি আসলে ঈগল নয় এবং “তীর” গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার আহ্বায়ক জিসান মাহমুদ এবং সদস্য সচিব মোঃ সোলাইমান সরকারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত হয় যে, এটি বাংলাদেশের বিপন্ন প্রায় একটি শকুনের প্রজাতি । গাইবান্ধা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাহাত গাওহারী দেওয়া তথ্য মতে, এটি রামচন্দ্রপুরে শিকারীদের ফাঁদে একটি বিশাল আকৃতির কালো শকুন আটকা পরে। পরবর্তীতে গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ সেটিকে শিকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।  তিনি পাখি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় এটি নিশ্চিত করেন এটি কালো শকুন। এটির ইংরেজী নাম cinereous vulture এবং বাংলায় এটিকে কালো শকুন নামে ডাকা হয়৷ এর বৈজ্ঞানিক নাম  Aegypius monachus। তিনি IUCN এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সীমান্ত দিপু কে জানালে তিনি সেটিকে শকুন পরিচর্যা কেন্দ্র সিংড়া ফরেষ্ট দিনাজপুর নিয়ে যাওয়ার জন্যে  ডি. এফ. ও. বন বিভাগ দিনাজপুরকে অনুরোধ করেন। এর প্রেক্ষিতে বন বভিাগ , গাইবান্ধার রঞ্জোর আব্দুর সবুর , IUCN এর ভালচার কন্সালটেন্ট মোঃ মিজানুর রহমান এবং তীরের প্রতিনিধি মোঃ রিফাত হাসান, জিসান মাহমুদ, মোঃ সোলাইমান সরকার সেটিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা শকুন পরিচর্যা কেন্দ্র সিংড়া ফরেষ্ট দিনাজপুর কে হস্তান্তর করেন।

IUCN এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী   এটি বাংলাদেশে ৯০ বছর  আগে অল্প সংখ্যক দেখা যেত। কিন্তু বর্তমানে এটি সম্পুর্ণ বিলুপ্ত, একে প্রকৃতির ঝারুদারও বলা হয়।


ধন্যবাদ জানাই সংশ্লিষ্ট সকলকে...


ধন্যবাদান্তে...

শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংংগঠন
Team for Energy and Environmental Research(TEER)

গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখা।